Summary
বীরত্বসূচক খেতাব (Gallantry Awards)
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৩, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে খেতাবের তালিকায় স্বাক্ষর করেন। পরদিন সরকারি গেজেটের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করা হয়। এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে একটি কমিটি খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকা নিরীক্ষা করে। সর্বমোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবপ্রাপ্ত, বর্তমানে ৬৭২ জন।
২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার চার খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে।
- বীরশ্রেষ্ঠ: মোট ৭৭ জন, সকলেই রনাঙ্গনের যুদ্ধে শহীদ।
- বীর উত্তম: ৬৮ জন, প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আব্দুর রব। সর্বশেষ শহীদ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দিন আহমদ।
- বীর বিক্রম: ১৭৫ জন, প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন খন্দকার নাজমুল হুদা।
- বীর প্রতীক: ৪২৬ জন, প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ আব্দুল মতিন।
বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত দুই মহিলা মুক্তিযোদ্ধা: ডা. সেতারা বেগম, তারামন বিবি।
বীরত্বসূচক খেতাব (Gallantry Awards)
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেতাব তালিকায় স্বাক্ষর করেন। তারপরের দিন সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করা হয়।
- এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে একটি কমিটি দ্বারা নিরীক্ষা করে খেতাবের জন্য সুপারিশ করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত সর্বমোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭৬ জন (বর্তমানে- ৬৭২ জন) খেতাবপ্রাপ্ত।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ০৬ জুন, ২০২১ সালে।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা
| খেতাব | ১৯৭৩ [গেজেট] | বৰ্তমান | খেতাসূত্র |
|---|---|---|---|
| বীরশ্রেষ্ঠ | ৭ | ৭ | সর্বোচ্চ পদ |
| বীর উত্তম | ৬৮ | ৬৭ | উচ্চপদ |
| বীর বিক্রম | ১৭৫ | ১৭৪ | প্রশংসনীয় পদ |
| বীর প্রতীক | ৪২৬ | ৪২৪ | প্রশংসাপত্র |
| মোট | ৬৭৬ | ৬৭২ | * |
| খেতাবের নাম | বিবরণ |
|---|---|
| বীরশ্রেষ্ঠ |
|
| বীর উত্তম |
|
| বীর বিক্রম |
|
| বীর প্রতীক |
|
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বীর প্রতীক
বীর বিক্রম
বীর উত্তম
বীর শ্রেষ্ঠ
Read more